নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী: দুই দিনে যুবদলের দুই পাল্টা কমিটি ঘোষনা


Muslim Uddin প্রকাশের সময় : জুন ৭, ২০২২, ১১:৪৮ অপরাহ্ন /
নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী: দুই দিনে যুবদলের দুই পাল্টা কমিটি ঘোষনা

মো.আবুল বাশার নয়ন, বান্দরবান :

সদ্য ঘোষিত যুবদলের কমিটি প্রত্যাখান করে পাল্টা কমিটি হয়েছে বান্দরবানের বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার এই ইউনিয়নটি বিএনপির ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার (৭জুন) সন্ধ্যায় যুবদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠকের পর এই কমিটি ঘোষনা করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন ও ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম রুবেলকে সদস্য সচিব করে ৩৩সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করা হয়।

যুবদলের প্যাডে ঘোষিত কমিটির একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তি বিভিন্ন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন কমিটিতে স্বাক্ষরকারী যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুল কবির রাকিব ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ডা মিজানুর রহমান।

এর আগে গত সোমবার (৬জুন) উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান চৌধুরী ও সদস্য সচিব আবু কাইছার স্বাক্ষরিত ইউনিয়ন যুবদলের ৪১সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি ঘোষনা করা হয়েছিল। এতে নুর মোহাম্মদ পুতনকে আহ্বায়ক এবং এম হাবিবুর রহমান রনিকে সদস্য সচিব করা হয়।

সদ্য ঘোষিত কমিটির আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে বলেন, ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে দলকে যারা সংগঠিত করেছেন তাদের বাদ দিয়ে যারা যুবদলের কমিটি ঘোষনা করেছেন তারা রাতে সরকার দলের সঙ্গে আতাত করেন, দিনে বিএনপি পরিচয় দেন।

বির্তকিত কথিত কমিটির বিষয়টি নিয়ে তারা দলের র্শীষ পর্যায়ে অভিযোগ করেছেন। আগামী আন্দোলন সংগ্রামকে সামনে রেখে সুকৌশলে যুবদলকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

অন্যদিকে উপজেলা যুবদল কর্তৃক ঘোষিত ইউনিয়ন কমিটির আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ পুতুন অভিযোগের বিষয়ে এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমি দীর্ঘ ২০বছর যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত’, তৃতীয় মেয়াদে তাকে পুনরায় আহ্বায়ক করেছে দল।

কিন্তু যারা যুবদলের পাল্টা কমিটি ঘোষনা করেছে তারা জেলা বিএনপির কমিটি মানছে না বিধায়, দল থেকে বাদ পড়েছেন। যুবদলের অধিকাংশ নেতাকর্মী তাদের পক্ষে রয়েছে দাবী করেন তিনি।

জানা গেছে, দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতি মাম্যাচিং এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সাচিং প্রু জেরীর মধ্যে দলীয় বিরোধ চলে আসছে। আর তাদের এই গ্রুপিং এর রেশ ছড়িয়ে রয়েছে জেলার সাত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে। কেন্দ্র ঘোষিত অনুষ্ঠানগুলোও পৃথকভাবে পালন করতে দেখা যায় জেলা-উপজেলায়।