রামু’র দক্ষিন মিঠাছড়িতে প্রভাবশালী কর্তৃক নিরীহ ব্যাক্তির জমি জবর দখলের অভিযোগ


coxmorning প্রকাশের সময় : এপ্রিল ৭, ২০২১, ১০:০৭ অপরাহ্ন /
রামু’র দক্ষিন মিঠাছড়িতে প্রভাবশালী কর্তৃক নিরীহ ব্যাক্তির জমি জবর দখলের অভিযোগ

রামু প্রতিনিধিঃ  রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নে প্রভাবশালী কর্তৃক নিরীহ ব্যক্তিদের জমি জবর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে। সুত্রে জানা যায়, রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড কাটির মাথা নামক এলাকায় আর.এস মূলে নুর উল্লাহ গং এর ওয়ারিশ সুত্রে ২ একর ৪০শতক জমি মোজাফ্ফর আহাম্মদ, ছৈয়দ আহাম্মদ ও শামশুল আলম ভোগ দখল করে আসছেন। যুগযুগ ধরে আর.এস ৯১৬দাগ মূলে এই জমির মালিক নুর উল্লাহ গং এর ওয়ারিশগণ ভোগ দখলে রয়েছেন। এমতাবস্থায় জমির মূল্য বৃদ্ধি পেতে থাকলে নুর উল্লাহ গং এর দখলকৃত জমির উপর লোভের ভস্বীভুত হয়ে পড়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ হোসাইন। ফলে স্থানীয় কয়েকজন ব্যাক্তির যোগসাজশে নুর উল্লাহ গং এর জমি ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ হোসাইন এর সহায়তায় গোপনে ভূমি অফিসে ভূল তথ্য উপস্থাপন করে গোলাম কাদের পিতা ওজির আলী, জরিনা খাতুন স্বামী অছিয়র রহমান ও দিলজান বেগম স্বামী গোলাম ছোবহান এর নামে ভূয়া বি.এস খতিয়ান সৃজন করে। এদিকে নুর উল্লাহ গং উক্ত জমির ভূ্য়া সৃজনকৃত বি.এস খতিয়ানের বিরোদ্ধে রামু সহকারী জজ্ আদালতে মিস মামলা নং ১৯/২০১৭ দায়ের করেছেন। যা বর্তমানে আদালতে রায় হওয়ার কাছাকাছি রয়েছে। এক পর্যায়ে নাম মাত্র সেই জমি তাদের কাছ থেকে ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ হোসাইন ভূঁয়া দলিল মূলে ক্রয় করে দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালান। এতে নুর উল্লাহ গং এর ওয়ারিগন সেই জমি দখলে নেওয়ার সময় মোহাম্মদ হোসেন কে বাঁধা দিলে তাতে ব্যার্থ হয়ে ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ হোসেন বাঁশখালী এলাকার মিজবাহ উদ্দিন চৌধুরী নামক জনৈক ব্যাক্তিকে উক্ত জমি ভূঁয়া দলিল মূলে বিক্রী করে দেয়। এক পর্যায়ে সেই জমি অবৈধ দখলে নিতে ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ হোসেন, মিজবাহ উদ্দিন চৌধুরীসহ স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যাক্তি ও সন্ত্রাসী গ্রুপ মিলে সিন্ডিকেট তৈরী করে রাতের অন্ধকারে মাটি ভরাট করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। এঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ফলে যে কোন মুহুর্তে এলাবাসী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছে।
এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ হোসাইন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রতি পক্ষের আনা অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা। আমি সঠিক কাগজপত্র মুল্যায়ন করে ২০১৩ সালে গোলাম কাদের, জরিনা খাতুন, দিলজান বেগম দের কাছ থেকে জমি ক্রয় করি। যা সম্পুর্ণ বৈধ এবং নিয়মতান্ত্রিক ভাবে। কিন্তু যারা অভিযোগ করছে তাদের জায়গায় যথাযথ রয়েছে। তারা কাগজপত্র ঠিক করে আনলে তাদের জমি তারা ঠিকই পেয়ে যাবে। আর আমার বিরুদ্ধে ভুমি জবর দখলে অভিযোগটি সম্পুর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
সচেতন মহলেরদাবী জরুরী ভিত্তিতে জমি নিয়ে সৃষ্ট বিরোধে প্রশাসন জরুরী হস্থক্ষেপ না করলে আইন শৃংখলা অবনতির মতো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এলাকাবাসী প্রশাসনের জরুরী হস্থক্ষেপ কামনা করছেন।