বিএনপি’র সক্রিয় নেতারা হোয়াইক্যং তাঁতীলীগের সভাপতি ও সম্পাদক পরিচয়ে প্রচার চালাচ্ছে


admin প্রকাশের সময় : জুলাই ৩০, ২০২১, ৯:০৬ অপরাহ্ন /
বিএনপি’র সক্রিয় নেতারা হোয়াইক্যং তাঁতীলীগের সভাপতি ও সম্পাদক পরিচয়ে প্রচার চালাচ্ছে

জাহাঙ্গীর আলম,টেকনাফ:::   সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে’র হোয়াইক্যংয়ে বিএনপি-জামাত রাজনীতি’র সাথে সম্পৃক্ত তাঁতীলীগের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন কমিঠির সভাপতি ও সম্পাদক পরিচয়ে ফেসবুক সহ বিভিন্ন দপ্তরে পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছে।

জানা যায় যে,টেকনাফ টাইম’স একটি অনলাইন নিউজে দেখা যায় গত ২৫ ডিসেম্বর হোয়াইক্যং ইউনিয়ন তাঁতীলীগের কমিঠি ঘোষানা।এতে সভাপতি পদে মোঃ ইসমাইল ও মোঃ শাহ আলম কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিউজে এসেছে।

যিনি হোয়াইক্যং ইউনিয়ন তাঁতীলীগের সভাপতি পরিচয় দিতেছে মোঃ ইসমাইল সে বিএনপির একজন সক্রিয় সদস্য এবং কোনদিন আওয়ামীলীগ রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত বা কর্মীয় ছিল না ও সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে দেওয়া মোঃ শাহ আলম তার বাড়ি হোয়াইক্যং ৩নং ওর্য়াড তেচ্ছিব্রিজ এলাকার মৃত আব্দুল মাবুদের ছেলে।সে বিএনপির একজন সক্রিয় নেতা ও তার পরিবার জামাত-বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।তার আপন বড় ভাই মোঃ আলম হোয়াইক্যং ৩নং ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি তার আরেক ভাই হোয়াইক্যং ইউনিয়ন শাখার জামাতের সহ-দপ্তর সম্পাদক মৌলভী কামাল উদ্দিন।সে বিগত হোয়াইক্যংয়ে আলোচিত বৌদ্ধ মন্দির হামলার ২নং আসামী।

এবং শাহ আলম ও তাদের পরিবার জামাত-বিএনপি জোট সরকারের আমলে স্থানীয় আওয়ামীলীগের সমর্থক ও কর্মীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করেছিল।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ হোয়াইক্যং ইউনিয়ন শাখার সভাপতি হারুনর রশিদ সিকদার জানান,ভুঁইফুট বা লীগের নাম ব্যবহার করে এবং সুবিধা নেওয়ার জন্য যারা রাতে রাতে আওয়ামীলীগ বনে যায় তাদের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগ বা জননেত্রী শেখ হাসিনা সব সময় সজাগ দৃষ্টি রাখেন।এবং যারা অপরাধ করে তাদের বিষয় প্রয়োজনীয় পদেক্ষেপ গ্রহণ করে।

তিনি আরও জানান,হোয়াইক্যং ইউনিয়ন তাঁতীলীগের যে কমিঠি বিষয় জানা গেছে বা যারা নিজেকে বিভিন্ন দপ্তরে সভাপতি বা সম্পাদক পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছে মুলত তারা জামাত-বিএনপির পরিবারে সন্তান এবং তারা নিজেরা কোনদিন আওয়ামীলীগের সমর্থক বা কর্মী ছিলনা।আমি কক্সবাজার জেলা তাঁতীলীগের নেতৃবৃন্দদের প্রতি আহবান জানাই।
এসব জামাত-বিএনপির সক্রিয় নেতারা হোয়াইক্যং ইউনিয়ন কমিঠির পরিচয়ে বিভিন্ন দপ্তর বা সামাজিক ভাবে নিজেদের প্রচার প্রচারণা করে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

স্থানীয় অনেক আওয়ামীলীগের সমর্থক ও কর্মীরা জানান,মোঃ ইসমাইল ও শাহ আলম তারা দু’জনে বিএনপির রাজনীতিতে সরাসরি সম্পৃক্ত থেকে কি করে রাতে রাতে আওয়ামীলীগের নেতা বনে যায়।

আর যারা তাদের দু’জনকে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন তাঁতীলীগের কমিঠি দিল সে সকল তাঁতীলীগের নেতৃবৃন্দরা যদি যাচাই-বাচাই করত তাহলে এসব বিএনপির নেতারা রাতেঁ রাঁতে আওয়ামীলীগের
তর্কমা লাগানোর চেষ্টা করত না।সুতারাং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

আপনি আমাদের কোন লিখা কপি করতে পারবেন না।