হুয়াওয়ের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা চায় পেন্টাগন

প্রকাশিত: ৪:০৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২০

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে কোনও নিষেধাজ্ঞা দিলে তাতে সমর্থন দেবে পেন্টাগন। এর আগে তারা এ ধরনের প্রস্তাবের বিরোধিতা করলেও হঠাৎই মত বদলেছে তাদের। নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিলে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে পণ্য আমদানি আরও কঠিন হয়ে যাবে চীনা প্রতিষ্ঠানটির জন্য। বুধবার সংশ্লিষ্ট পাঁচ মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য পলিটিকো।

জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রস সম্প্রতি দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপারের সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কথা বলেছেন। আগামী সপ্তাহেই তাদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি উচ্চপর্যায়ের মার্কিন কর্মকর্তাদের বৈঠকেও চীন ও হুয়াওয়ের কাছে প্রযুক্তিপণ্য রফতানিতে বিধিনিষেধের বিষয়ে আলোচনা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, তারা প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও প্রসার ত্বরান্বিত করার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রফতানির বিষয়টি ক্রমাগত পর্যালোচনা এবং নিয়ন্ত্রণ করছে। তবে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোনও মন্তব্য করেনি।

জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি দাবি করে গত বছরের মে মাসে হুয়াওয়েকে কালোতালিকাভুক্ত করে ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের দাবি, হুয়াওয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বা বৈদেশিক নীতির স্বার্থবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত রয়েছে এর যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি রয়েছে তাদের কাছে। যদিও এই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করেছে চীনা প্রতিষ্ঠানটি।

গত নভেম্বরে রয়টার্স জানিয়েছিল, হুয়াওয়ের কাছে প্রযুক্তিপণ্য রফতানি বন্ধ করতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে হুয়াওয়ের কাছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি, সফটওয়্যার বা অন্য উপাদানের সাহায্যে বিদেশে তৈরি স্ট্যান্ডার্ড সেলফোন চিপের মতো সংবেদনশীল পণ্য বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে।

বাণিজ্য বিষয়ক আইনজীবী ডাগ জ্যাকবসন বলছেন, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার ফলে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রি কমে যাবে। কিন্তু দিনশেষে দেখা যাবে, ক্রেতাদের জন্য হুয়াওয়ের পণ্য উৎপাদনের যে সক্ষমতা দরকার তা আগের মতোই থাকছে, এটি খুব একটা কমবে না।